Tuesday, 27 October 2026
Aaj bangla

শ্রীরামপুরের জাগ্রত শ্রীরাধাবল্লব জিউয়ের মন্দির

Radhaballav Jeeu Temple

Shri Shri Radhaballav Jeeu Temple এই প্রাচীন মন্দিরটি অবস্থিত Hooghly district হুগলী জেলার Serampore শ্রীরামপুরে | শ্রীরামপুর স্টেশনে থেকে ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বল্লবপুর | সেখানেই এই মন্দিরটি গোড়া হয়েছে | ওই অঞ্চলটি রাধাবল্লবের নামেই বল্লবপুর বলে পরিচিত | কথিত আছে শ্রীরামপুরের পার্শবর্তী চাতরা নিবাসী বৈষ্ণবচূড়ামণি, শ্রীচৈতন্য পরিকর, পন্ডিত কাশীশ্বরের বড় ভাগ্নে এই Radhaballav Jeeu Temple রাধাবল্লভজিউয়ের বিগ্রহটি প্রতিষ্টা করেছিলেন | জানা যায়, ভক্তদের সহযোগিতায় ১৬৭৭ সালে রাধাবল্লভজিউয়ের একটি আটচালা মন্দির গড়ে তোলেন রুদ্রনাম |

পরবর্তী কালে গঙ্গার ভাঙ্গনের কারণে মন্দির দেখা যায় ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভবনা আছে | সেই কারণে Radhaballav Jeeu Temple  রাধাবল্লভজিউয়ের বিগ্রহটির স্থান পরিবর্তন করা হয় এবং মন্দিরটি পরিত্যক্ত হয় | পরিত্যক্ত মন্দিরটি কিছু সময়ের জন্য গির্জা হিসেবে চলেছিল | পাদ্রি হেনরি মার্টিন বেশ অনেকদিন এই স্থানে বসবাস করেছিলেন | তারপরেই শ্রীরামপুরে একাধিক গির্জা নির্মিত হয় তারফলে এটির প্রয়োজন আসতে আসতে শেষ হতে থাকে | জানা যায় এক-সময় এখানে মদ তৈরিও হতো | বেশ কিছুদিন পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই জায়গাটিকে নিজের দখলে নিয়ে নেন তারপরেই নতুন করে আবার সংস্কার করেন |

কিন্তু গঙ্গার ভাঙ্গনের কারণে মন্দিরটি আবার পরিত্যক্ত হয়ে যায় | বর্তমানে দূর থেকে এটিকে চেনা যায় না | কাছে গেলে তবেই বোঝা যায় এখানে মন্দিরটি ছিল | বর্তমানে সকলে যেই নতুন রাধাবল্লভজিউয়ের মন্দিরটি দেখতে পান সেটি নির্মাণ করেছিলেন কলকাতা নিবাসী নয়ন চাঁদ মল্লিক | ১৭৬৪ সালে নতুন করে মন্দিরটি নির্মাণ করেন তিনি | তার পুত্র নিমাই চরণ মল্লিক বিগ্রহটি নিত্যসেবার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করেন | তারপর থেকেই এখনও অবধি নিত্যসেবা চলছে | মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দক্ষিনমুখো |

মন্দির চারদিকে ঘেরা রয়েছে বারান্দা | মন্দিরের সামনেই রয়েছে নাটমন্দির | গর্বগৃহে রয়েছে শ্রীরাধাবল্লব ও শ্রীরাধার বিগ্রহ | শ্রীরাধাবল্লবের মূর্তিটি কালো কষ্টিপাথরের | তার পাশেই আরেকটি ঘরে বিরাজ করছেন শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেব, শ্রীশ্রী বলরাম দেব এবং সুভদ্রা দেবী | এখন নিয়মিত ভাবে মানুষ জায়ায়াত করেন এই মন্দিরটিতে | সকল দেব-দেবীর পূজ্য হয় সকাল-বিকেল | অনেক সময় এই মন্দিরে বিয়ে থেকে শুরু করে বাচ্চাদের অন্নপ্রাশনের ব্যাবস্থাও করা হয় | মন্দিরের উল্টোদিকে নাটমন্দিরে ব্যবস্থা করা হয় ভোগের | সেই খানেই মানুষ বসে ভোগ খান | এই মন্দিরটিতে আসতে হলে আপনাকে হাওড়া থেকে ট্রেনে উঠে নামতে হবে শ্রীরামপুর স্টেশনে | সেখান থেকে অটো বা টোটো নিয়ে পৌঁছতে হবে বল্লবপুরে | শ্রীরামপুরের ঠাকুরবাড়ি স্ট্র্রেট ধরে একটু হাঁটলেই পেয়ে যাবেন এই মন্দিরটি |

আরো পড়ুন      পশ্চিমবঙ্গ    জীবনী   মন্দির দর্শন   ইতিহাস    জেলা শহর     লোকসভা     বিধানসভা    পৌরসভা    ব্লক    থানা    গ্রাম পঞ্চায়েত  কালীপূজা    যোগ ব্যায়াম    পুজা পাঠ     দুর্গাপুজো     ব্রত কথা    মিউচুয়াল ফান্ড     জ্যোতিষশাস্ত্র      ভ্রমণ     বার্ষিক রাশিফল    মাসিক রাশিফল   সাপ্তাহিক রাশিফল    আজকের রাশিফল    চানক্যের নীতি    বাংলাদেশ    লক্ষ্মী পূজা   টোটকা  রেসিপি    সম্পর্ক    একাদশী ব্রত   পড়াশোনা খবর    ফ্যাশন টিপস