Punjab
Punjab পঞ্জাবের গুরুদাসপুরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে দুই পুলিশকর্মীকে হত্যার ঘটনাটি পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) ঘটিয়েছে বলে দাবি করেছেন এক ঊর্ধ্বতন পুলিশকর্তা। রবিবার আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে গুরুদাসপুরের আধিয়ান গ্রামের দোরংলা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর গুরনাম সিংহ এবং হোমগার্ড অশোক কুমারের মৃতদেহ চেকপোস্টের ভিতরে পাওয়া যায়। বুধবার ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (বর্ডার রেঞ্জ) সন্দীপ গোয়েল বলেন, “পাকিস্তানের আইএসআই-এর নির্দেশে অভিযুক্তরা পুলিশের উপর আক্রমণ চালিয়েছে।
গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় তারা পুলিশ অফিসারদের হত্যা করার আগে একটি রেকি করেছিল। তারা টাকার জন্য আইএসআই-এর নির্দেশে কাজ করেছিল।” ওই পুলিশকর্তা দাবি, ২০,০০০ টাকার বিনিময়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে অভিযুক্তরা। দুই পুলিশকর্মীকে হত্যার ঘটনায় জড়িত তিন জনের মধ্যে এক জনকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং অন্য জনকে এনকাউন্টারে হত্যা করেছে। তৃতীয় অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। পঞ্জাব পুলিশ তিন জনকে শনাক্ত করেছে রঞ্জিত সিংহ (১৯), ইন্দ্রজিৎ সিংহ (২১) এবং দিলওয়ার সিংহ (১৯) নামে।
অভিযুক্তদের পরিচয় ও হামলা: গত রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) আধিআন (Adhian) গ্রামের পুলিশ ফাঁড়িতে এএসআই গুরনাম সিং এবং হোমগার্ড অশোক কুমারকে গুলি করে হত্যা করা হয় । পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় তিন যুবক—রঞ্জিত সিং (১৯), দিলওয়ার সিং (১৯) এবং ইন্দ্রজিৎ সিং (২১)—আইএসআই হ্যান্ডলারদের নির্দেশে এই হামলা চালিয়েছিল
SI ও টাকার যোগসূত্র: সীমান্ত রেঞ্জের ডিআইজি সন্দীপ গোয়েল জানিয়েছেন, আইএসআই এই খুনের জন্য হত্যাকারীদের ভাড়া করেছিল। বিনিময়ে তাদের মাত্র ২০,০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ৩,০০০ টাকা তারা অগ্রিম হিসেবে পেয়েছিল ।
এনকাউন্টার ও গ্রেফতার: পঞ্জাব পুলিশ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার কিনারা করে এবং এনকাউন্টারে মূল অভিযুক্ত রঞ্জিত সিংকে খতম করে। অপর অভিযুক্ত দিলওয়ার সিংকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে তৃতীয় অভিযুক্ত ইন্দ্রজিৎ সিং এখনও পলাতক । পুলিশের দাবি, পঞ্জাবে অশান্তি সৃষ্টি এবং পুলিশ বাহিনীকে টার্গেট করার জন্যই আইএসআই এই ছক কষেছিল ।